হোয়াইট গোল্ড খ্যাত রসুন চাষ

0
44

কয়েক দফা বন্যার পানি নেমে যেতেই কাদা মাটিতেই রসুন রোপণে ব্যাস্ত নাটোরের চলনবিলের মানুষ । দেশের চাহিদার ২৫ ভাগ পুরোন করা হয় নাটোরের হোয়াইট গোল্ড খ্যাত রসুন দিয়ে । যা এখন বিনা চাষ প্রযুক্তিতে আবাদ করছেন কৃষকরা । অল্প জমিতে বেশি উদপাদন হওয়ায় দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে এই জাতের রসুন চাষের পরিধি । বিলের পানি নেমে যেতেই জমি চাষ ও প্রাথমিক পরিচর্যা ছাড়াই শুধু জমির আগাছা পরিষ্কার ও সার ছিটিয়ে রসুন রোপনের ধুম পড়েছে নাটোরের চলন বিল অঞ্চলে । কৃষকরা বলছেন এই পদ্ধতিতে সার সেচ ও শ্রমিক খরচ কম এবং অল্প জমিতে অধিক ফলন হওয়ায় লাভের মুখ দেখবেন তারা । এই পদ্ধতিতে কাদা মাটির জমিতে জমিতে রসুন রোপনের পর তা ধেকে দিতে হয় খড় দিয়ে । কিন্তু এবছর খড়ের দাম বেশি থাকায় সব জমি খড় দিয়ে থাকতে না পারার শঙ্কায় আছেন তারা । কিন্তু সেচ ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন রসুন চাষীরা । পর পর টানা কয়েক বারের বন্যার কারনে ধান নষ্ট হওয়ায় খড় এর সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে । টাই এবার সেচ এর জন্য বাড়তি টাকা গুনা লাগবে এই রসুন চাষীদের । এদিকে জেলা কৃষি অধিদপ্তর বলছে বন্যার ক্ষতি পুশিয়ে নিতে কৃষকদের রসুন চাষে পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগীতা করে যাচ্ছেন তারা । তিনি জানান এই এলাকায় প্রতি বছর উদপাদন হয় এক লক্ষ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন রসুন যা আমাদের দেশের চাহিদা অনেকটাই মেটাতে সক্ষম । সারাদেশে রসুনের চাহিদা  ৬ লাখ মেট্রিক টন আর সেখানে নাটোরের এই চলনবিল অঞ্চলের মানুষরা এর  ২৫% মিটিয়ে থাকেন । এ বছর প্রায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । যা থেকে প্রায়  ১ লক্ষ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন রসুন উদপাদন সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here