বন্দরে জলদস্যুতা নিয়ন্ত্রণে এলো যেভাবে

0
26

কয়েক বছর আগেও বিদেশী জাহাজ মালিকদের কাছে চট্ট্রগ্রাম বন্দর ছিলো আতঙ্কের নাম । বহির নজ্ঞর থেকে শুরু করে বন্দরে ঢুকা পর্যন্ত জাহাজের ক্যাপ্টেন আর নাবিকরা থাকতো জলদস্যু আতঙ্কে । সেই সাথে আবার জাহাজের মালামাল চুরির ঘটনা ছিলোই । কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকেই এই পরিস্থিতি পাল্টাতে থাকে । বন্দর ও বাণিজ্যিক জাহাজে জলদস্যু পর্যালোচনা কারী সংস্থা বি কে এ পির তথ্য অনুযায়ী গত তিন ভছর যাবত চট্ট্রগ্রাম বন্দরে এই অবস্থা শূনের কোঠায় । কোর্সগার্ড বাংলাদেশ এর মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল আশরাফুল হক বলেছেন এটি সম্ভব হয়েছে তাদের সঠিক ভাবে কাজ ও শ্রম দেওয়ার কারনে । কিন্তু চলতি বছর  ৩ টি ছোট খাটো চুরির কথা বলা হলেও বন্দর করতিপক্ষের অনুসন্থানে এর কোন সত্যতা মিলেনি বলে জানানো হয়েছে । সাম্প্রতিক সময়ে বন্দরের পক্ষ থেকে বহিঃর নজ্ঞর সহ যাত্রা পথে নজর দারি বাড়ানো হয়েছে । বাংলাদেশে ব্যবসা বাণিজ্য এর পরিধি বাড়ার সাতেহ সাথে বাড়ছে বন্দরের ব্যাস্ততা । গত এক দশক ধরে চট্ট্রগ্রাম বন্দরে বেদেশি জাহাজ আসার পরিমাণ  ৬-৮ শতাংশ আকারে বাড়ছে এই বছরে যার পরিমাণ ছিলো প্রায় ৪ হাজারের বেশি । আর এখন প্রয়োজন হয়ে পরেছে বিদেশী এসব জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা । আগে হাতে গোনা কিছু জাহাজ আর কিছু স্প্রিড বোর্ড নিয়ে বন্দরের বিশাল জলসীমায় দায়িত্ব পালন করতে হত কোর্সগার্ড কে এখন বহরে যুক্ত হয়েছে একসাথে  ৯ টি অত্যাধুনিক জাহাজ । এতে বিদেশী জাহাজ মালিকদের আস্থা বাড়বে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা । কোর্সগার্ড জানিয়েছে তাদের একটি টিম সর্বদা প্রস্তুত থাকে যেনো ইমারজেন্সি ভাবে সযোগিতা দেওয়া যায় ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here