এক মাসের ব্যবধানে তিস্তা পানি শূন্য

0
35

শীতকালীন ফসল আবাদ করতে নদীতে বসাতে হচ্ছে সেলো মেশিন । কুমড়া পেয়াজ রসুন বাদাম আর আলু চাষে বাড়তি শ্রম ও অর্থ ব্যায় ঘাড়ে চেপেছে তিস্তা পাড়ের কৃষকদের । সেলো মেশিনে সেচ দেওয়ায় সামর্থ্য নেই যাদের তাদের দূর দূরান্ত থেকে কাঁধে পানি বয়ে এনে পানি দিতে হচ্ছে ফসলের গোঁড়ায় ।  ৪-৫ দফার বন্যায় এবার অনেক প্লি ফেলে গেছে তিস্তা নদীর দুই পাড়ে । মাইলের পর মাইল জমে থাকা বালুতেই ফসল ফলাতে হবে এবার তাই সারের বাড়তি চাহিতা এমনকি মাটি নিয়েও ভাবতে হচ্ছে তাদের । একজন কৃষক বলেন যখন পানি থাকে এতই থাকে যে বন্যা হয় আর এখন পানি একেবারেই নাই যে আবাদ করা যাচ্ছে না তাদের প্রায় অনেকেরই ভাড়ে করে পানি এনে আবাদ করা লাগছে । আমন উঠলেই সেচ নির্ভর বোরো মৌসুমে ধানের আবাদ শুরু হবে এই অঞ্চলে কিন্তু আগে ভাগে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় কিছুটা সংশয় প্রকাশ করছেন নদী ও কৃষক আন্দোলনের নেতা । তিস্তা বাচাও ন্দী বাচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হুক্কানি বলেন খাদ্য উদপাদনের ধারাবাহিকতাকে যদি ঠিক রাখতে হয় তাহলে একদিকে আমাদের তিস্তা যেমন খুবই জরুরী পাশাপাশি এই কৃষকদের সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা দেওয়া অত্যন্ত জরুরী । তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে এবার  ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়ার কথা । ডিসেম্বর নাগাদ তিস্তা ব্যারেজ এর গ্যাটে সেচ কেনেলে পানি নেওয়ার চিন্তা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড । পানি উন্নয়ন বোর্ড এর প্রধান প্রকৌশলী জানান রোটেশন পদ্ধতিতে যে পানিটা দেয় তাতে আমরা  ৫৪ হাজার হেক্টর জমিতে দিয়েছি  এবার আমাদের টার্গেট ৬০ হাজার হেক্টর জমি । তারা আশা করছেন তারা এই নতুন মাইলফলক এচিভ করতে পারবেন । করোনাকালের মহা সংকটে খাদ্য এর চাহিদা পূরনে কাজ করছে এই অঞ্চলের কৃষি । খরা মৌসুমে সেচ ব্যবস্থাপনার এই সংকট ভাবনায় ফেলেছে  কৃষকদের ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here