Take a fresh look at your lifestyle.

বিজ্ঞানের নানা জানা অজানা

0

অন্ধকার ঘরে টিভি দেখা উচিত নয় কেন?

অন্ধকারে টিভির তীব্র উজ্জলতা চোখের ভিতর আলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে চোখের অক্ষিপটকে (Retina) ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং টিভির পর্দার সৃষ্ট আলোর কম্পন প্রকট হয়ে চোখে পড়ায় চোখ শান্ত হয় বলে অন্ধকার ঘরে টিভি দেখা উচিত নয়।।

পিপড়া সারিবদ্ধভাবে চলে কেন?

পিপড়া চলার সময় পেছনের দিকের হুলের নিচ থেকে ফেরোমন (Pheromone) নামক এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ করে । পেছনের পিপড়া এ হরমোনের গন্ধ শুকে পরস্পরকে অনুসরণ করে। এভাবে একজন দলনেতার নেতৃত্বে তারা সারিবদ্ধভাবে চলাচল করে ।

মরুভূমিতে উটের দীর্ঘ সময় পানি পান করতে হয় না কেন?

উটের কিছু শারীরবৃত্তীয় অভিযজনের ফলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, কম প্রস্রাব, সূর্যের বিকিরণকে চামড়ার মাধ্যমে প্রতিফলন, শরীরে কম পানির চাহিদা এবং লাল রক্তকোষ ও অন্য অংশে (কুজ ব্যতীত) । পানি সংরক্ষণ করার ক্ষমতা থাকায় মরুভূমিতে উটের দীর্ঘ সময় পানি পান করার প্রয়োজন হয় না।

উচু থেকে পড়লেও বিড়াল ব্যথা পায় না কেন?

বিড়ালের পায়ের নিচে খুব নরম তুলতুলে পেশি থাকে এবং তার ওজনের তুলনায় শরীরের বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় প্রয়োজনে শরীর ফুলিয়ে তার আয়তন বাড়িয়ে নিতে পারে । সেইসাথে নিচে পড়ার সময় চার পা বাতাসে ছড়িয়ে পরক্ষণে আবার সংকুচিত করায় বিড়াল উঁচু থেকে পড়লেও ব্যথা পায় না।

চোখ বেঁধে সোজা হাঁটা যায় না কেন?

সাধারণত মানুষের ডানদিকের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বামদিকের চেয়ে কিছুটা ভারী হওয়ায় চোখ বেঁধে চলার সময় ঝোঁকটা ডানদিকে বেশি পড়ে, ফলে সোজা হাঁটা যায় । চোখ খোলাবস্থায় আমাদের গতিপথ নির্ধারণে সাহায্য করে বলে আমরা সোজা হাটতে পারি ।

চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে কেন?

সাধারণত অপর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ, অপুষ্টিসহ নানা কারণে চোখের নিম্নস্থ স্পর্শকাতর ত্বকের।নিচের ছোট ছোট রক্তনালী গুলাতে বড় হওয়ায়,রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় কিংবা ফ্লুইড জমা হওয়ায় চোখের নিচে দাগ পড়ে । এছাড়া  বংশগত কারণেও এ দাগ দেখা দিতে পারে।

লোহায় মরিচা পড়ে কেন?

আর্দ্রতার উপস্থিতিতে লোহার পরমাণুর সাথে পানির (অক্সিজেন) সংস্পর্শেই এতে মরিচা পড়ে । এভাবে লোহা জারণ প্রক্রিয়ায় আয়রন-অক্সাইডে (মরিচা) পরিণত হয়।

পাউরুটিতে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে কেন?

পাউরুটির ময়দার সাথে সামান্য পরিমাণে মেশানো ইস্ট (এক প্রকার ছত্রাক) বিদ্যমান আর্দ্রতা ও সামান্য উষ্ণতায় সংখ্যায় দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও সাথে সাথে বুদ বুদ আকারে গ্যাস তৈরি করে বলে এর মাঝে ছোট ছোট ছিদ্রের সৃষ্টি হয়।

আমরা ক্লান্তি বোধ করি কেন?

অতিরিক্ত পরিশ্রমে মাংসপেশীতে অক্সিজেনের ঘাটতি হলে অতিরিক্ত শক্তি জোগাতে মাংসপেশীর সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয় এবং সেই সাথে ‘ফ্যাটি টক্সিন’ নামক জৈব বিষও তৈরি হয় । এই এসিড ও জৈব বিষ রক্ত দ্বারা শরীরে ছড়িয়ে পড়লেই আমরা ক্লান্তি বোধ করি ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.