Take a fresh look at your lifestyle.

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিভাবে জীবানু মুক্ত রাখা যায়

0

আমরা প্রতিদিন যেসব টাকার নোট নিয়ে বাইরে লেনদেন করি সেসব থেকেও ভাইরাস সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকি রয়েছে৷ চাবি বা অন্যান্য নন ইলেক্ট্রিক জিনিস পত্র চাইলে বাইরে থেকে ঘরে ফিরলে সাবান দিয়ে ধুয়ে রাখা যায়। মোবাইল, হেডফোন, পাওয়ার ব্যাঙ্ক, চার্জার বা অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস যেগুলো আমরা হেক্সিসল দিয়ে পরিষ্কার করে জীবানু মুক্ত করতে পারি৷ ঘরে ফিরেই সোজা বাথরুমে গিয়ে কাপড় চোপড় ছেড়ে সেগুলোকে ডিটারজেন্ট পাওডার দিয়ে ধুয়ে নিয়ে নিজেরাও গোসল করে পরিষ্কার হতে পারি৷ পলিথিন ব্যাগ বা বাজারের ব্যাগ এ সময় আমরা একবারের বেশি দ্বিতীয়বার ব্যবহার না’ও করতে পারি ফেলে দিয়ে বা আগুনে পুড়িয়ে।। তরি তরকারি, বাজার, মাছ-মাংস, শাক সব্জি, ডিম ইত্যাদি ঘরে ফিরে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে পরিষ্কার করতে পারি৷ কিন্তু এই সব জিনিস পত্র যেই মূল্যমান নোট দিয়ে কেনাকাটা বা লেনদেন করা হয় সেই ধারক মানে টাকা; সেই টাকা থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এজন্য আমি টাকা বা অন্যান্য কাগুজে জিনিস যেগুলো সহজে জীবানুমুক্ত করা যায় না সেগুলোকে জীবানুমুক্ত করার জন্য আমি দুইটা কাজ করি। বাইরে বের হলে হ্যান্ড গ্লাভস পরি, মুখে মাস্ক, মাথায় টুপি পরি৷ সেই সাথে বেশ কিছু ছোটো পলিথিন নিয়ে বের হই। আর সঙ্গের কাগজ বা টাকার নোট একটা পলিথিনে করে টাকা ক্যারি করি।

১. বাড়ি ফিরে সেই পলিথিনের ভেতর হ্যান্ড রাবের লিকুইড কিছু দিয়ে দেই। এরপর পলিথিনের মুখ বন্ধ করে রাখি।

২. সেই পলিথিনে যে কয়টি টাকা থাকে সেগুলো চুলায় একটি বড় কড়াইকে উত্তপ্ত করে সেটিতে টাকা গুলো কয়েকটা করে নোট ঢেলে প্রায় মিনিট খানেক ওলোট পালোট করে নিয়ে গরম করি৷

দ্বিতীয় পদ্ধতিটি এই মুহূর্তে কম ব্যয় সাপেক্ষ প্রথমটির চেয়ে৷ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে কেউ বের হবেন না৷ আজ কিছুদিন হয়তো কষ্ট হবে এসব মেনে চলতে আমাদের৷ কিন্তু আজকের এই কষ্ট গুলোই হয়তো আমাদের সামনের জীবনকে সুন্দর রাখতে সাহায্য করবে৷

Leave A Reply

Your email address will not be published.